ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ , ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুই মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে প্রবাসী কার্ড ওয়ানডেতে ফেরার প্রস্তাবে যা বললেন মুশফিক প্রেমিককে দিয়ে বাবার বাড়িতেই ডাকাতি করালেন তরুণী পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৮ সেনাসদস্য দেশে হামের চেয়ে প্রতিদিন নিউমোনিয়ায় মৃত্যু বেশি কমলো সোনার দাম বিজেপির বিতর্কিত আদেশ বাতিল, কর্ণাটকে পরা যাবে হিজাব বিয়ের সানাইয়ের বদলে রাঙ্গুনিয়ায় শোকের মাতম: ওমানে গাড়ির ভেতর থেকে বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার গ্যাসের লিকেজে বিস্ফোরণ, বাবা ও ৩ ভাইবোনের পর মারা গেলেন মা কিস্তির চাপে স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিতে গিয়ে গৃহিণীকে হত্যা করে রাজমিস্ত্রি: পিবিআই সাবেক অধিনায়ক মাশরাফীকে নিয়ে সারজিস আলমের ফেসবুক পোস্ট ধর্ষণের অভিযোগে ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অনিয়ন্ত্রিত স্ক্রিন শিশুদের জন্য বড় ক্ষতি ঈদুল আজহা কবে, জানাল আমিরাত দুপুরের মধ্যে যেসব জেলায় ঝড় ও ভারি বৃষ্টির আভাস অর্থনৈতিক সঙ্কট, প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বলিভিয়া সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির জয়-সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ব্যাংকের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ পাবে শিল্প গ্রুপ বেইজিংয়ে ট্রাম্প, শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন পুতিন প্রকল্পে অপচয় নয়, স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান মন্ত্রীর

দেশে হামের চেয়ে প্রতিদিন নিউমোনিয়ায় মৃত্যু বেশি

  • আপলোড সময় : ১৫-০৫-২০২৬ ০৩:০২:২৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০৫-২০২৬ ০৩:০২:২৯ অপরাহ্ন
দেশে হামের চেয়ে প্রতিদিন নিউমোনিয়ায় মৃত্যু বেশি
দেশে প্রতিদিন হামের তুলনায় নিউমোনিয়ায় অনেক বেশি শিশু মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।

তারা বলেন, হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও দেশে বছরে প্রায় ২৪ হাজার শিশু নিউমোনিয়ায় মারা যায়। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০ জন শিশু রোগে প্রাণ হারাচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এসব তথ্য তুলে ধরেন।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব চলছে। তবে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৯৫ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠছে। দেশে চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এরই মধ্যে ৯৫ শতাংশ শিশু এসেছে বলেও জানান তারা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হামে শিশুমৃত্যুর হার শূন্য দশমিক শতাংশ।

সংবাদ সম্মেলনে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জিয়াউল হক বলেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। সফল টিকাদান কর্মসূচির কারণে একসময় হামের প্রকোপ অনেক কমে এসেছিল। কিন্তু গত দুই বছরে টিকাদান কর্মসূচিতে ছেদ পড়ায় বছর মার্চ থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত দুই মাসে ৫৪ হাজার ৪১৯ জনের মধ্যে হাম হাম সদৃশ উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ জন হামে এবং ৩৬৯ জন হাম সদৃশ উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুমৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ এখনও নিউমোনিয়া। তারা বলেন, হামের চেয়ে নিউমোনিয়ায় সবচেয়ে বেশি শিশু মারা যাচ্ছে। নীরবে এই মৃত্যু হচ্ছে।

শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। চিকিৎসায় দেরি হলে জটিলতা বেড়ে যায়। হাম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে শিশুরা নিউমোনিয়া ডায়রিয়াসহ অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত হয়।

তিনি আরও বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় শতাংশের ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে সময়মতো চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন বলেন, দেশে ব্রেস্ট ফিডিংয়ের হার এখন ৫৬ শতাংশ। বাকি শিশুরা মাতৃদুগ্ধের বাইরে থাকায় তাদের রোগপ্রবণতা বাড়ছে। পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাবারের ওপর নির্ভরশীলতাও শিশুদের নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

এসময় অধ্যাপক ডা. গোলাম সারওয়ার, অধ্যাপক ডা. আসিফ মোস্তফা এবং অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল কিবরিয়াসহ অন্য বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
 

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

ওয়ানডেতে ফেরার প্রস্তাবে যা বললেন মুশফিক

ওয়ানডেতে ফেরার প্রস্তাবে যা বললেন মুশফিক